ঢাকা , শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫ , ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ , ই-পেপার
সংবাদ শিরোনাম
বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পে বড় আঘাত গণতান্ত্রিক স্থিতিশীল শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশের প্রতি সমর্থন মোদির দুর্নীতি প্রতিরোধে কাজ করতে বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড এমওইউ মোদীকে দশ বছর আগের কথা মনে করিয়ে ছবি উপহার ইউনূসের নতুন সমীকরণে বাংলাদেশ-ভারত বাস চালকের হদিস মেলেনি আহত শিশু আরাধ্যকে ঢাকায় হস্তান্তর নিহত বেড়ে ১১ স্বস্তির ঈদযাত্রায় সড়কে ঝরলো ৬০ প্রাণ চালের চেয়েও ছোট পেসমেকার বানালেন মার্কিন বিজ্ঞানীরা আ’লীগের নেতাদের রাজকীয় ঈদ উদযাপনে ক্ষুব্ধ কর্মীরা আন্দোলনে ফিরবেন বেসরকারি কলেজ শিক্ষকরা মাদারীপুরে আগুনে পুড়ল ২ বাড়ি ভৈরবের ত্রি-সেতুতে দর্শনার্থীদের ভিড় বর্ষবরণের আয়োজন, পাহাড়ে উৎসবের রঙ ঈদের আমেজ কাটেনি বিনোদন স্পটে ভিড় আ’লীগকে নিষিদ্ধ করা বিএনপির দায়িত্ব নয় নতুন নিয়মে বিপাকে ট্রাভেল এজেন্সিগুলো ঈদের আগে বেতন-বোনাস পেয়ে স্বস্তিতে সাড়ে ৩ লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষক ঈদযাত্রায় সদরঘাটে চিরচেনা ভিড় মিয়ানমারে ভূমিকম্পে শতাধিক মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা

হাসপাতালে জরুরি বিভাগে দিনে কমলেও রাতের দালাল বেপরোয়া

  • আপলোড সময় : ০১-১২-২০২৪ ১১:৪২:৪০ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০১-১২-২০২৪ ১১:৪২:৪০ অপরাহ্ন
হাসপাতালে জরুরি বিভাগে দিনে কমলেও রাতের দালাল বেপরোয়া
শরিয়তপুর থেকে নুরুজ্জামান শেখ
গত ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাক্তার হাবিবুর রহমানসহ অন্য ডাক্তারদের তদারকিতে হাসপাতালে জরুরি বিভাগের দিনের দালাল কিছুটা কমাতে পারলেও দিন দিন রাতের দালাল বেপরোয়া হয়ে উঠছে। কোন মতেই থামানো যাচ্ছে না  রাতে জরুরি বিভাগে থাকা ডাক্তারের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সহচরী দালালদের। সরেজমিন ঘুরে গভীর অনুসন্ধানে উঠে এসেছে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে কিছু কিছু অভিজ্ঞ দালাল রয়েছে যারা এক যুগেরও বেশি সময় ধরে দালালি করে আসছে।
এই অভিজ্ঞ দালালদের সাথে জড়িয়ে পড়েছে হাসপাতালের কিছু ডাক্তার, নার্স ও কর্মচারী। শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের কয়েকজন সরকারি কর্মচারী রয়েছেন যারা নামে বেনামে শরীয়তপুর ডিজিটাল ডায়গনস্টিক সেন্টারের মালিক হওয়া স্বত্বে আওয়ামী লীগ আমলের  এই ১৫ বছর একক আধিপত্য বিস্তার করেছেন। এইসব কর্মচারীরা তাদের তৈরি করা কমিশন দেয়া দালালদের সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত ডাক্তারদের সাথে সহযোগীহিসাবে থাকার সহযোগিতা করেছেন। দিনে এবং রাতে সদর হাসপাতালে জরুরি বিভাগে মধ্যবিত্ত গরিব অসহায় চিকিৎসা সেবা নিতে আসা রোগীদের দেয়া হয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা। সক্রিয় দালালদের মাধ্যমে রোগীদের পরীক্ষা নিরীক্ষা করতে নেয়া হয় বিভিন্ন ডায়াগনস্টিক সেন্টারে। পরীক্ষা-নিরীক্ষার অর্ধেক টাকাই চলে যায় দালাল ও কিছু ডাক্তারদের পকেটে। গভীর অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, সম্পূর্ণ দালাল দ্বারা নিয়ন্ত্রিত এবং দালালদের উপর পুরোপুরি নির্ভরশীল শরীয়তপুর ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার, সাগরিকা ডায়াগনস্টিক, মর্ডান মেডিকেল  ডায়াগনস্টিক, কেয়ার ৯৮  ডায়াগনস্টিক, পালং মেডিকেল ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও খান ডায়াগনস্টিক সেন্টার। এইসব ডায়াগনস্টিকের দালালদের কাছে শরীয়তপুর সদর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জিম্মি। শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের সরকারি কর্মচারী এক নারী নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গণমাধ্যমকে বলেন, হাসপাতালে ভর্তি কৃত রোগীদের বাহির থেকে  পরীক্ষা-নিরীক্ষার বেশিরভাগই ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টারের। শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাক্তার মো. হাবিবুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, হাসপাতাল ও হাসপাতালের জরুরি বিভাগ শতভাগ দালালমুক্ত করার উদ্যোগ হাতে নিয়েছি। মাঝেমধ্যে ভ্রাম্যমাণ অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে দালালদের জেলে পাঠানো হচ্ছে। হাসপাতাল জরুরি  বিভাগে সব সময়  একজন ব্রাদার ও একজন ওয়ার্ড  বয় থাকে। এখন থেকে ওয়ার্ড বয় জরুরি বিভাগে ডাক্তারদের সাথে সহযোগী হিসেবে থাকবে। বাহিরের কোন বহিরাগত লোক বা দালাল থাকতে পারবে না।
 

নিউজটি আপডেট করেছেন : Dainik Janata

কমেন্ট বক্স
প্রতিবেদকের তথ্য